শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০


কুমিল্লায় দুইদিনে ২০জন করোনার রোগী


আমাদের কুমিল্লা .কম :
15.04.2020

স্টাফ রিপোর্টার।।

কুমিল্লায় গত দুই দিনে নতুন করে ২০জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন। কয়েকজন স্বজন থেকে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার নয়জন ও বুধবার ১১জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার জেলার তিতাস উপজেলায় তিনজন, দাউদকান্দি উপজেলায় দুইজন, বুড়িচং উপজেলায় একজন, সদর দক্ষিণ উপজেলায় একজন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় একজন ও চান্দিনা উপজেলার একজন আক্রান্ত হন। বুধবার আক্রান্ত হন বরুড়ার একজন,চান্দিনা উপজেলার তিনজন,বুড়িচংয়ের একজন, তিতাস উপজেলার দুইজন ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার একজন। সূত্র জানায়,কুমিল্লায় বুধবার নতুন করে নারায়ণগঞ্জ ফেরত একজন ১৫বছরের কিশোরসহ দুইজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কিশোরের বাড়ি তিতাস উপজেলার ফরিদপুর গ্রামে। অন্যজন বরুড়া উপজেলার কেমতলী গ্রামের বাসিন্দা ২৭ বছরের নারী। তিনি ঢাকা থেকে বাবার বাড়িতে এসেছিলেন। মঙ্গলবার আক্রান্ত হন চান্দিনার এতবারপুর গ্রামের প্যাথলজি টেকনিশিয়ান ১৯বছরের একটি মেয়ে। চান্দিনা বাজারের দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দেবিদ্বার উপজেলার করোনায় মৃত জীবন সাহার রক্ত সংগ্রহ করে ওই স্টাফ। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাকই গ্রামের ২৮ বছরের এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পেশায় গার্মেন্টস কর্মী ওই ব্যক্তি ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে নিজ বাড়ি টাকই গ্রামে এসেছিলেন। তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মৌটুপি গ্রামের করোনায় আক্রান্ত কুস্তিগীরের বাবা ৬৮ বছর এবং তার স্ত্রী ৩৩বছর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে তিতাস উপজেলার বিরামকান্দি গ্রামের পূর্বের আক্রান্ত চালকল শ্রমিকের ৪৩বছর বয়সের বোন আক্রান্ত হয়েছেন। দাউদকান্দির বড়কোটা গ্রামের আক্রান্ত নারীর বয়স ২৫ বছর। তিনি তার স্বামীর সাথে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। একই উপজেলার শ্রীরায়েরচর গ্রামের ৪৪ বছর বয়সে এক পুরুষ আক্রান্ত হন। তিনিও নারায়ণগঞ্জ থেকে ৭ এপ্রিল নিজের বাড়িতে আসেন। এদিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজারখোলা গ্রামের নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক গার্মেন্টস কর্মী যুবক আক্রান্ত হয়েছেন। বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া গ্রামের এক নারী আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি স্বামীর সাথে ঢাকায় থাকতেন। কুমিল্লায় মোট ১৮জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত কুমিল্লা থেকে ২১৮টি নমুনা পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ১৪৬টির রিপোর্ট এসেছে।