সোমবার ১ জুন ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » শিক্ষার্থীদের বাসা ভাড়া মওকুফ করতে কুবি প্রশাসনের চিঠি


শিক্ষার্থীদের বাসা ভাড়া মওকুফ করতে কুবি প্রশাসনের চিঠি


আমাদের কুমিল্লা .কম :
18.05.2020

মোঃ জাহিদুল ইসলাম,কুবি।।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের বাসা/মেস ভাড়া মওকুফের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, পুলিশ সুপার, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট চিঠি পাঠিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরীরর নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের স্বাক্ষরিত চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিকট প্রেরণ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গত ১৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ও মেসসমূহ পরিত্যাগ করে যার যার স্থায়ী ঠিকানায় চলে যায়। আবাসিক ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা, কোটবাড়ি, কুমিল্লা নগরীসহ অন্যান্য এলাকায় মেস ভাড়া করে থাকে। মার্চ মাসের অর্ধাংশ, এপ্রিল ও মে মাসে শিক্ষার্থীরা মেসে অবস্থান করেননি। তথাপিও মেস মালিকরা শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফের অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে আরও বলা হয়, করোনাকালীন এ পরিস্থিতিতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পক্ষে ভাড়া প্রদান করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী টিউশনি করে পড়ার খরচ চালালেও এ পরিস্থিতিতে টিউশনি করতে পারছে না। কাজেই করোনাকালীন সময়ে সকল শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা খুবই জরুরী।
জানা যায়, কুমিল্লা ৬ আসনের সংসদ সদস্য আ. ক. ম বাহাউদ্দিন বাহার, জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিনের নিকট এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মেস/বাসা থেকে বাড়িতে চলে গেছেন। ফলশ্রুতিতে টিউশনসহ অন্যান্য কাজের সুযোগ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের আয়ের পথ সীমিত হওয়ায় শিক্ষা ব্যয় ও ছুটিকালীন মেস/বাসা ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বিগ্ন। এহেন পরিস্থিতিতে মেস/বাসার মালিকরা শিক্ষার্থীদের ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ না করলে উভয় সংকটে পড়বে শিক্ষার্থীরা। যেখানে শিক্ষার্থীদের বাসায় অবস্থান করে দিনযাপন করাই কষ্টকর সেখানে বাসা/মেস ভাড়া পরিশোধ করাটা নিতান্তই অসম্ভব।