সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০


করোনায় বিড়ম্বনার শিকার তিনি


আমাদের কুমিল্লা .কম :
18.06.2020

স্টাফ রিপোর্টার।।

এনজিও আশা’য় চাকরী করেন ফিরোজ মিয়া। কুমিল্লা লালমাই ব্রাঞ্চের সহকারী ম্যানেজার। চলতি বছর জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভেঙ্গে যায় তার। প্রথমে বরুড়া হাসপাতালে নেয় স্থানীয়রা। পরে স্বজনরা কুমিল্লা ট্রমা হসপিটালে ভর্তি করান। এখানে ট্রিটমেন্ট করলে ফিরোজ মিয়ার ডান পা কেটে ফেলতে হতে পারে। তাই পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় ফিরোজ মিয়াকে। সেখানে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দেয় চিকিৎসরা। তবে কঠোরভাবে বলা হয় প্রতি মাসে রুটিন চেকআপের জন্য ঢাকায় যেতে।
ফিটনেস ছাড়পত্র পেয়ে ফিরোজ মিয়া যোগ দেন আশা’র বুড়িচং শংকুচাইল শাখায়। তাকে সহযোগিতা করেন আশা’র সিনিয়র ডেপুটি প্রেসিডেন্ট এম আবদুল আজিজ। তবে বিপত্তি বাধে গত মার্চ মাস থেকে।
ফিরোজ মিয়া জানান, করোনার কারণে এখন তার জীবনে নেমে এসেছে চরম অস্থিরতা। লকডাউনের কারনে গত মার্চ মাস থেকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিলো। নিয়মিত চেকআপ করাতে পারেননি ফিরোজ মিয়া। ঢাকায় যেতে পারেননি। ডাক্তার ফোনে তারিখ দেন। তারিখ যায় আবার তারিখ দেন। চিকিৎসার অভাবে পা’য়ের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে এখন পুঁজ পড়া শুরু করে। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটাছুটি করা ফিরোজ মিয়াকে খেয়াল করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। শুনেন কর্ম চঞ্চল ফিরোজ করোনাকালীন বিপর্যস্ত অবস্থার কথা।
ফিরোজ মিয়া জানান, একদিকে চাকরী। অন্যদিকে ভাঙ্গা পা নিয়ে এই করোনায় চরম বিড়ম্বনার শিকার হয়ে আছেন। হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটে চলছেন। ফিরোজ মিয়া জানেন না, কবে সুস্থ হবেন, আর এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে অফিস করবেন।