সোমবার ১৩ জুলাই ২০২০


জলাবদ্ধতার কবলে কোম্পানীগঞ্জ বাজার


আমাদের কুমিল্লা .কম :
20.06.2020

এন এ মুরাদ, মুরাদনগর।।
কুমিল্লার মুরাদনগরে টানা বৃষ্টি ও জলজটে বিপর্যস্ত জনজীবন। তলিয়ে গেছে কোম্পানীগঞ্জ বাজারের
গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও দোকানের অলি-গলি। ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা এবং নোংরা দুষিত পানি এখন রাস্তার উপর। গত তিন দিনের বৃষ্টির কারণে বাজারের অধিকাংশ সড়ক ডুবে গেছে পানির নিচে। পানিতে পানি থৈ থৈ করছে
মার্কেটের বিভিন্ন গলি। গত বৃহষ্পতিবার কোম্পানীগঞ্জ বাজারের অধিকাংশ সড়কের চিত্র ছিল এটি।
বাজারের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ এলাকা গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে পানিতে ভেসে
গেছে। অধিকাংশ এলাকার দোকানপাটের ভিতর পানি ঢুকে পড়ে আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে।
জিয়া মার্কেট থেকে রুবেল টেলিকমের মালিক রুবেল, বলেন আমার দোকানে পানি ঢুকে লেপটপ ও মোবাইলসহ নানা সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে ।
জান্নাত টেলিকমের বিল্লাল বলেন, বৃষ্টি আসলে জমে থাকা পানির জন্য দোকান খুলতে পারিনা। ড্রেনের সব ময়লা আবর্জনা ভেসে উঠে ,গন্ধে মানুষ আসতে পারেনা।
একই সাথে বেহাল অবস্থা কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক ও কোম্পানীগঞ্জ- নবীনগর রোডের। রোডের উপর পানি জমে থাকায় মানুষ স্বাভাবিক ভাবে চলা ফেরা করতে পারছেনা। পানি জমে নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক।
কুমিল্লা-সিলেট ট্রান্সপোর্টের পরিচালক আলীম ড্রাইভার ও স্থানীয় দোকানদাররা জানান, ড্রেনগুলো বন্ধ থাকার কারণে এই রোডের উপর পানি উঠে। যদি ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে পানি চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হয় তাহলে রাস্তাটা নষ্টের হাত থেকে বেঁেচ যাবে ।
এদিকে বাসটামির্নালের অবস্থাও অত্যান্ত নাজুক। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে .টার্মিনালের ভিতর ইউটার্ন দিয়ে ১৪ ফুট প্রস্ত একটি রাস্তা করলেও প্রায় ৮০ শতাংশ মাঠ ব্যবহারের অনুপোযোগী। খানা খন্দের কারণে সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকে।
তিশা বাসের দুইজন হেলপার বলেন, আমরা গাড়ি গুলো টার্মিনালে ঢুকাতে গেলে গর্তের কারণে বাম্পার আটকে
যায়। এছাড়াও পুরো টার্মিনালটিতে পানি জমে থাকে। পানির মধ্যে গাড়ির চাকা ডুবে থাকে। এতে করে গাড়ীর
টায়ার রিং ও টিউবগুলো অল্প দিনে নষ্ট হয়ে যায়।
বাজারের বাইরে কোম্পানীগঞ্জ নবীনগর রোড, নগর পাড় রোড, পল্লী বিদ্যুৎ রোডসহ বিভিন্ন রোডে পানি
নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে অপরিকল্পিত, নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন ও বাড়ি-ঘর নির্মাণ করার কারণে পানি জমে থাকে। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তা ও ড্রেনের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করার কারণে ধীরগতিতে পানি নিষ্কাষণ হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।