বুধবার ৮ জুলাই ২০২০


মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ছোট পরিবহনগুলো


আমাদের কুমিল্লা .কম :
29.06.2020

তৌহিদ খন্দকার তপু।।
কোভিড-১৯ এর কারনে লকডাইনে থাকা সারাদেশে স্বাস্থ্য বিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার অংশে সামাজিক দূরত্ব মেনে পরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে যাত্রী ও পারিবহন শ্রমীকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছে। বিআরটিএর উর্ধতন কর্মকর্তা জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মানতে সকল ধরনের আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে তবে সাধারন মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে।
কোভিড-১৯ সংক্রমন এড়াতে সারাদেশ লকডাউনের আওতায় চলে আসলে গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় যা গত ৩১ মে থেকে আবারও চালু করা হয়। ঢাকা-চট্টগ্রামের কুমিল্লার অংশে বড় যানবাহনগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেও ছোট যানবাহনগুলো মানছে না এই আইন। বেশি সংখ্যক যানবাহনেই জীবনুনাশক স্প্রে ছিটানো হচ্ছে না। সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, লেগুনা ও মিনিবাসগুলোতে গাদাগাদি করেই চলাচল করছে যাত্রীরা। কিছু সংখ্যক চালক ও মালিকরা বেশি ভাড়া নিচ্ছে তবে মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। নি¤œ শ্রেনীর খেটে খাওয়া মানুষরা অতিরিক্ত ভাড়া বাচাঁতে বেছে নিচ্ছে বিকল্প ব্যাবস্থা। ঝুকি নিয়ে পণ্য পরিবহন করা পিকআপ ভ্যানের মত অন্যান্য বাহনে যাতায়াত করছে তারা।
মহাসড়কের পাশে চলাচল করা পরিবহনের সাথে সম্পৃক্তরা জানায়, আমরা সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্য বিধি মানে আমাদের যানবাহন চালাচ্ছি। যাত্রী কম নিয়ে চলতে হচ্ছে তাই অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছি।
সাধারন যাত্রীরা জানায়, নিরাপদে চলাচলের পরিবহন মালিক ও চালকদের আরও আন্তরিক হতে হবে।
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সর্পোট অথরিটি কুমিল্লা সার্কেলের সহকারি উপ পরিচালক ইঞ্জি. এম এ আশরাফ সিদ্দিকী জানায়, গণ পরিবহন চলাচল শুরু হওয়ার পর আমরা সরকার কতৃক নির্ধারিত সকল বিধিনিষেধ পরিবহন মালিক, চালক ও শ্রমিকদেও জানিয়ে দিয়েছি। টার্মিনালগুলোতে লিখিত চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তবে সাধারন মানুষ ও পরিবহনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সচেতন হতে হবে।
করোনা পরিস্থিতিতেও জীবিকার তাগিদে ছুটছে মানুষ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করলে এই মহামারিকেও জয় করা সম্ভব এমনটাই প্রত্যাশা করছে দেশের সাধারন মানুষ।