শুক্রবার ৪ ডিসেম্বর ২০২০


‘পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান’


আমাদের কুমিল্লা .কম :
29.06.2020

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।।

দারিদ্র্য এমন অর্থনৈতিক অবস্থা, যখন একজন মানুষ জীবনযাত্রার ন্যূনতম মান অর্জনে এবং স্বল্প আয়ের কারণে জীবনধারণের অপরিহার্য দ্রব্যাদি ক্রয় করার সক্ষমতা হারায়। সাংস্কৃতিক স্বেচ্ছাচারিতা ও আগ্রাসন, জনসংখ্যার চাপ, অর্থনৈতিক দুর্দশা, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা এবং বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, খরা ইত্যাদির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দারিদ্র্য সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশের চলমান দারিদ্র্যাবস্থার জন্য বহুবিধ বিষয়, যথা অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, মাথাপিছু সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ, সম্পদের বণ্টন ও ব্যবহার, অশিক্ষা, মাথাপিছু কম পরিমাণ আবাদযোগ্য জমি ও বনভূমি, রুগ্নস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা, পরিবেশের অবক্ষয়, বন ধ্বংস, কৃষির ওপর অতি নির্ভরশীলতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নারী নির্যাতন ও নারীদের বঞ্চিতকরণ এবং দুর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থা দায়ী।
১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতিত্বমূলক নীতি অনুসরণ করে। পাকিস্তান সরকার সারাদেশের সম্পদ ব্যবহার করে পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যক্তিখাতকে সবিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে। পক্ষান্তরে, পূর্ব পাকিস্তানকে ন্যূনতম অর্থ বরাদ্দ-পূর্বক সরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল থাকতে বাধ্য করা হয়। পূর্ব পাকিস্তানের আয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে শিল্পায়ন কার্যক্রম চালানো হয়। আর পূর্ব পাকিস্তানকে করে রাখা হয় একান্তই কৃষিনির্ভর। ফলে ১৯৫৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানের একজন নাগরিকের গড় আয় দাঁড়ায় একজন পশ্চিম পাকিস্তানির আয়ের ৭৪%। এ কারণে পূর্ব পাকিস্তানে দারিদ্র্য পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে।
এহেনপরিস্থিতিতে,পাকিস্তানি শাসক গোষ্টির হাত থেকে আর্ত পীড়িত,সুবিধা বঞ্চিত বাংলার জনগুষ্টিকে রক্ষার প্রয়াস নিয়ে এগিয়ে আসেন,বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।৬৬র ছয় দফা,৬৯এর গনঅভুথান তদুপরি ৯মাস দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্যটিকে চিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়। যুদ্ধ বিধস্ত বাংলাদেশটিকে গড়ে তুলতে মনোনিবেস দেন বঙ্গুবন্ধু।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে নিহিত রয়েছে বাংলাদেশের জনগণের ভোগান্তির আরেকটি কারণ। নয় মাসব্যাপী যুদ্ধে বাংলাদেশের মোট সম্পদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়ে যায় এবং শুরুতেই দেশের অর্থনীতি মারাত্মক জটিলতার সম্মুখীন হয়। নিজস্ব সীমিত সম্পদ ও প্রাপ্ত বৈদেশিক সাহায্যের দ্বারা বাংলাদেশকে ভারত থেকে ফিরে আসা ১০ মিলিয়ন শরণার্থী এবং দেশের ভিতরে অবস্থানকারী পাকিস্তানি ধ্বংসযজ্ঞে সর্বস্বান্ত ২০ মিলিয়ন লোককে পুনর্বাসিত করতে চ্যলেঞ্জের দ্বারপ্রান্ত হতে হয়েছে,বঙ্গবন্ধুকে । তদুপরি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য, জ্বালানি, সার ইত্যাদির মূল্যবৃদ্ধি এবং লেনদেন ভারসাম্যের ক্রমবর্ধমান ঘাটতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুতর আঘাত হানে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।সেই লক্ষে সমবায় ভিত্তিক,পল্লীউন্নয়নবিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।বিআরডিবি সহ ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেই।কৃষি উৎপাদন, উন্নয়ন ও সফল বিপণনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চেয়েছিলেন তিনি। কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটানোর উদ্দেশ্যে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের আর্থিক দায়বদ্ধতা লাঘব, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের চিন্তা মাথায় রেখে তিনি কৃষকদের জন্য নিয়ে ছিলেন যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তাঁর সরকার প্রণীত প্রথম দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনায় তিনি কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত এ দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার উন্নয়নে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের গভীরতা ও তীব্রতা উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। স্বাধীনতার পর যেখানে বাংলাদেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭৩ শতাংশ, তা কমে বর্তমানে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা ২৪ শতাংশ, এর মধ্যে গ্রামীণ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা ৩১.৫ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের গবেষণামূলক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বিগত এক দশকে অর্থাৎ ২০০১-১০ মেয়াদে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে প্রায় দেড় কোটি। অথচ এর ঠিক আগের দশকে অর্থাৎ ১৯৯০-২০০০ সনের মধ্যে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছিল মাত্র ২৩ লাখ। এ সফলতা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত দেশের সব নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন। দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে এদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। এক্ষেত্রে দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পেছনে সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম, বেসরকারি পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগ এবং একই সঙ্গে সামাজিক উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাস পাওয়ায় মানব উন্নয়ন সূচকেও লক্ষণীয় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। Human Development Report ২০১৩ অনুযায়ী ২০১২ সনে বিশ্বের ১৮৭টি দেশের মধ্যে মানব উন্নয়নে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম।
বাংলাদেশে সরকার দীর্ঘকাল ধরেই পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দারিদ্র্য বিমোচন-সংক্রান্ত প্রচেষ্টাগুলি বহুমুখী, এদের মধ্যে পল্লী সমবায় সমিতি, ঋণদান ব্যবস্থা, সেচ ব্যবস্থা, মৎস্য ও গবাদিপশু উন্নয়ন, পল্লী এলাকায় শিল্প স্থাপন, এলাকাভিত্তিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। পল্লী জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করার লক্ষ্যে এ যাবৎ গৃহীত দেশের সবকয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় মাত্রাভেদে পল্লী উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব প্রদান জোরদার করা হয়েছে। পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড’ সরকারের একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী এজেন্সি।সাথে রয়েছে,সমবায় অধিদপ্তরাধীন,সহযোগি প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রকৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন(এস এফ ডিএফ)।
বাংলাদেশের পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। ১৯৭৩ সন থেকে ২০১৫ সন পর্যন্ত ৬টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার অন্যতম লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য বিমোচন। এ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সমূহের ফলে বাংলাদেশ আয় ও মানব দারিদ্র্য দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। ২০১৭ সনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) এবং ২০৩০ সনের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের ব্যাপারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনের ধারাবাহিকতায় সরকার কর্তৃক দ্বিতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশল পত্রের সময়োপযোগী সংশোধন (জাতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র-২, ২০০৯-২০১১: দিন বদলের পদক্ষেপ) করা হয়েছে। বাংলদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প হিসেবে ‘‘বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২১)” শীর্ষক দলিল প্রণয়ন করা হয়। এ রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১১-১৫ মেয়াদের জন্য ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এ পরিকল্পনায় দারিদ্র্য নিরসনকল্পে কৃষি খাতের যে ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে তা হলো: দরিদ্র অঞ্চলে উপার্জনক্ষম লোকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি; কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং অকৃষি খাতে কর্মসৃজন; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও পুষ্টি খাতে সরকারি ব্যয়ে আঞ্চলিক বৈষম্যের বিষয়টির ওপর অধিকতর গুরুত্বারোপ; খাস জমি বিতরণ, সার, বীজ, সেচ, বিদ্যুৎ এবং গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থা ইত্যাদি বিভিন্ন উপাদান সহায়ক বিষয়সমূহে দরিদ্রদের অগ্রাধিকার নিশ্চিতকরণ; শহরবাসী দরিদ্রদের জন্য নাগরিক সুবিধা প্রদান করা। দারিদ্র্য নিরসনের অঙ্গীকার নিয়ে ২০১৬-২০ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। এসব কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হচ্ছে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন তথা দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনগণের সংখ্যা ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ২০২১ সনের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা।
এ ক্ষেত্রে অর্জিত এক একটি সফলতার উদাহরণগুলোকে মাথায় রেখে আমাদের আরো এগিয়ে যেতে হবে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বর্তমানে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে উপকরণের সহজপ্রাপ্তি এবং বাজারজাতকরণের সুবিধা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। পাশাপাশি সঞ্চয়কে উৎসাহিতকরণ ও সহজ প্রাপ্য ঋণ প্রবাহের কারণে গ্রামীণ কৃষকদের পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ ( তথ্য সূত্র : Rural poverty wikipidea,case study, Bangladesh) । কৃষক সংগঠন তৈরি তথা টেকসই সমাজকাঠামো, গ্রামীণ কৃষিজীবী জনগোষ্ঠীকে তিনভাবে সাহায্য করতে পারে যেমন- (১) উৎপন্ন দ্রব্যের বাজারজাতকরণসহ ঋণ ও উপকরণ সরবরাহকারীর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন (২) কৃষকের উৎপন্ন দ্রব্যের সঠিক মূল্য পাওয়া এবং (৩) সদস্যদের অতিরিক্ত আয়, যা লাভের অংশ থেকে প্রাপ্ত, তা আবার কৃষি ব্যবসায় বিনিয়োগ।

পরিশেষে বলা যায়, আমাদের দারিদ্র বিমোচন তথা সমৃদ্ধি এগিয়ে যেতে শুরু করেছে। এই অর্জন ও সাফল্য ধরে রেখে ২০৩০ সনের মধ্যে পৃথিবীকে পুরোপুরি দারিদ্র্যমুক্ত করাসহ অর্জিত উন্নয়নকে টেকসই করতে এখন আমাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হবে। সে সঙ্গে অর্জন করতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪১ সনের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্য। এসব উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে তাই সংগত ভাবেই নিম্নবর্ণিত কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

১. টেকসই কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ;
২. পরিবেশ সংরক্ষণ ও সুরক্ষার লক্ষ্যে সমন্বিত ফসল ব্যবস্থাপনা (আইসিএম), সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম), সমন্বিত পুষ্টি ব্যবস্থাপনা (আইএনএম), সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (আইডিএম), ভূউপরিস্থ ও বৃষ্টিরপানিএবংসৌরশক্তিরব্যবহারসম্প্রসারণ;
৩. কৃষি সংশ্লিষ্ট সবার (কৃষক, ব্যবসায়ী, উপকরণ সরবরাহকারী, উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষক, গবেষক, নারী) দক্ষতা উন্নয়ন;
৪.গবেষণা-সম্প্রসারণ-কৃষক-বাজারসম্পর্ক জোরদারকরণ;

আমরা গভীর নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরাধ্য সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিরন্তর প্রয়াসকে সাফল্য মণ্ডিত করে গড়েতুলব।

লেখক:সিনিয়র উপজেলা ব্যবস্থাপক(এসএফডিএফ), দেবীদ্বার,কুমিল্লা।