বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » মেস ভাড়ার বিষয়ে উদাসীন কুবি প্রশাসন,বেকায়দায় চার হাজার শিক্ষার্থী


মেস ভাড়ার বিষয়ে উদাসীন কুবি প্রশাসন,বেকায়দায় চার হাজার শিক্ষার্থী


আমাদের কুমিল্লা .কম :
30.06.2020

কুবি প্রতিনিধি।।
করোনা কালীন সাধারণ ছুটিতে বাড়ি মালিকদের লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন মেসে বসবাসকারী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চরম অবহেলার কারণেই আবাসন মালিকদের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গত ১৮ মার্চ থেকে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতায় রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংকটময় এসময়ে ভাড়া বাড়িতে অবস্থান না করেও নিয়মিত ভাড়া গুণতে হচ্ছে কুবির প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থীকে। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কার্যত কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
গত ১০ মে কুমিল্লা জেলা প্রাশসন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব করলে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রাশাসন। এ প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত ১৭ মে মেস
ভাড়া মওকুফে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে চিঠি পাঠায় এবং ২৩ মে করোনা সংকট কালীন ও পরবর্তী পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার জন্য ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে।
কিন্তু কমিটি গঠনের একমাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নিতে কমিটি ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ করছেন, মুখে বললেও মেসভাড়া বিষয়ে কার্যত উদাসীন ভূমিকা পালন কওে চলছে প্রশাসন।
এদিকে বাড়ি মালিকদের থেকে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন অভিযোগ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ ঝেড়ে মন্তব্য করেছেন রাকিব হাসান নামে এক শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে তিনি লিখেন, “আমরা দীর্ঘদিন মেস মালিকদের থেকে নানাভাবে লাঞ্ছনার শিকার হয়ে আসছি। প্রশাসন কী ভাবছে পরিষ্কার করলে আমাদের জন্য উপকার হয়। এভাবে কলা দেখিয়ে ঝুলিয়ে রাখার কোন মানে দেখি না।”
এ নিয়ে কথা বলতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মোঃ আবু তাহের বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দাপ্তরিক কোন সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। প্রক্টর সেখানে আহ্বায়ক। সুতরাং এ বিষয়ে তিনি ভালো বলতে পারেন।
প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন বলেন, আমরা এ বিষয়ে কমিটি গঠন করেছি। কমিটিতে আমি প্রধান। কিন্তু কোন শিক্ষার্থী এখনও মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ দেয়নি। আমরা মেস মালিকদের
জানিয়েছি করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভাড়ার জন্য কোন ধরনের চাপ সৃষ্টি না করতে। এর পরেও যদি এধরনের অভিযোগ আসে তাহলে আমি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই তারা সরাসরি আমাদের কমিটির যেকোন
সদস্যকে জানাবে। তারা সমাধান করতে না পারলে সরাসরি আমাকে জানাবে। আমি ব্যবস্থা নিব।