মঙ্গল্বার ৪ অগাস্ট ২০২০


ক্রেতা কমেলেও দাম কমেনি, চাহিদা শাক-সবজির


আমাদের কুমিল্লা .কম :
07.07.2020

আবু সুফিয়ান রাসেল।।
করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় তার প্রভাব পড়েছে কুমিল্লার কাঁচাবাজারে। দাম পূর্বের মতো থাকলেও কমেছে ক্রেতা। শাক সবজির চাহিদা বেশী বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

সোমবার কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ, চকবাজার, বাদশা মিয়া বাজার, কান্দিরপার, টমচমব্রীজ ও পদুয়ার বাজারে ঘুরে দামের ভিন্নতা দেখা যায়। গত শীতের মৌসুমে সবজি বাজারে দাম ছিলো উর্ধ্বগতি। করোনা কালীন এ সময়েও বাজারে এ প্রভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

সরে জামিনে দেখা যায়, পটল ৪০, লতি ৩০, পেপে ৩৫-৪০, বেগুন ৪০, টমেটো ১০০-১২০, গাজর ১২০, করলা ৬০-৮০, আলু ২৮-৩০, বেন্ডি ৩০, কইডা ৫০, ধুন্দুল ৪০, ছিচিংগা ৫০, উদাইয়া ৫০-৬০, মরিচ ১৫০, কচু ছড়া ৫০, লম্বা সিম ৫০-৬০, কারকল ৬০, শশা ৫০-৬০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মূলার হালি ৩০, লাউ ছোট সাইজ ৩০, বড় ৫০-৫৫, মিষ্টি কুমড়া ছোট ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারের এ সময়ে শাকের চাহিদা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা। পুঁইশাক ২৫-৩০, লালশাক ২০, মাইরা ২০, লাউশাক ২০-২৫, কলমি শাক ১০ টাকা আটিঁ প্রতি বিক্রি হচ্ছে।

রাজগঞ্জ বাজারের ক্রেতা সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন, বাজারের ৪০-৫০ টাকার কম কোন তরকারি নাই। এখন আয় কমেছে, যার কারণে আগের মতো খরচ করাতে পারি না। এখন শুধু বেঁচে থাকার জন্য খেতে হবে এটাই চিন্তা করি। প্রতি দিন মাছ মাংস খেতে হবে, তার দরকার নেই। শাক সবজি শরিরের জন্য ভালো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তাই এসব বেশী ক্রয় করি।

টমচমব্রীজ বাজারের কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী আনোয়ার মিয়া জানান, তরকারির দাম শীতে যেমন, এখনও তেমন রয়েছে। করোনার কারণে আমাদের বিক্রি অনেক কমে গেছে। এ সময়ে অন্য পেশার বহু মানুষ ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা হিসাবে কাঁচা তরকারি বিক্রি করছে যার কারণে আমাদের বিক্রি আরও কমেছে। তরকারির চাহিদা কমলেও সবজির চাহিদা বেড়েছে।

কান্দিরপাড় কাচাঁবাজারের ব্যবসায়ী মিঠন চক্রবর্তী জানান, যাতায়াত খরচ, বাজার খরচ, নিজের খাবার নাস্তাসহ নানা কারণে তরকারির বেশী দামে বিক্রি করতে হয়। আর এখন পাইকার বাজারেও দাম একটু বেশী। এ শীতে অন্য বছরের তুলনায় দাম বেশী ছিলো।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, করোনার এ সময়েও অভিযান চলমান আছে। শুক্রবারসহ যে কোন দিন কুমিল্লার যে কোন বাজারে আমরা হঠাৎ অভিযান পরিচালনা করে থাকি। ভোক্তারা যখন লিখিত অভিযোগ করেন, তাও আমরা যাচাই করে দেখি। অতিরিক্ত মনে হলে, জরিমানা করা হয়। কাচাঁ তরকারির দাম প্রতিদিন বাজার কম-বেশী হয়। তাই বিক্রেতারা অবশ্যই তাদের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করবেন। অভিযান চলকালিন বা কোন ক্রেতা দেখতে চাইলে তা দেখাতে পারেন।