সোমবার ৩ অগাস্ট ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়তি বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়তি বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক


আমাদের কুমিল্লা .কম :
07.07.2020

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম ও দুর্নিতির কারনে ব্যহত হচ্ছে গ্রাহক সেবা। এ যেন দেখার কেউ নেই। এতে দুর্ভোগের শেষ নেই হাজার হাজার গ্রাহকের। করোনার প্রভাবে যখন সাধারণ মানুষ জীবন বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছে তখনই বাড়তি বিলের চাপে দিশেহারা এখানকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। এবিষয়ে প্রতিকারের জন্য অফিসে এসে ভুক্তভোগি গ্রাহকরা ধন্যা দিচ্ছে বারবার। ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে সংশ্লিষ্টদের দেখা মিলছেনা। তবে সংশ্লিষ্টরা অতিরিক্ত বিলের বিষয়টি সংশোধন করে দেয়া হবে বলে জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিদ্যুৎ উন্নায়ন বোর্ডের বিতরণ বিভাগে( ১ ও ২ নং এর অধিনে ) পৌর এলাকা সহ আশপাশ এলাকায় আবাসিক ও বানিজ্যিক গ্রাহক মিলিয়ে ৮০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। করোনার প্রভাবে যখন এখানকার জীবন যাত্রা ও ব্যবসা বাণিজ্য স্থবিরতা তখনই বিদ্যুৎতের অতিরিক্ত বাড়তি বিলের চাপে দিশেহারা এখানকার গ্রাহকরা। অফিসে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যাক নারী-পুরুষ ধর্না দিলেও ঘন্টারপর ঘন্টা দাড়িয়ে সংশ্লিষ্টদের দেখা মিলছেনা । আবার দেখা পাওয়া গেলেও পাওয়া যাচ্ছেনা এর কোনো প্রতিকার । এতে হাজার হাজার গ্রাহকের দূর্ভোগ যেন চরমে পৌঁছেছে । এখানে দায়িত্বরত কর্তাদের গাফলতির কারণে মিটার রিডিং না দেখে আনুমানিক বিল গ্রাহকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। মিটার রিডারদের প্রতি মাসে মিটার দেখে বিল করার নিয়ম থাকলেও মিটার না দেখে মনগড়া বিল করায় চাপ বেড়েছে কয়েকগুন । কথা হয় বাড়তি বিল আসা এরকম বেশ কয়েকজনে গ্রাহকের সাথে তারা বলেন, আমাদের মিটার রিডিং না দেখেই ব্যবহৃত রিডিং থেকে কয়েকগুন বাড়িয়ে বিল দেয়া হয়েছে। এখন করোনা ক্রান্তিকালে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বার বার অভিযোগ দিলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। গ্রাহকরা জানান, চাপিয়ে দেয়া অতিরিক্ত বিলের বোঝা তাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। তারা আরো বলেন, এক শ্রেণীর অসাধু কর্মচারীদের যোগসাজসে বিভিন্ন অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারীর বিল সাধারণ গ্রাহকদের উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমরা এর সঠিক প্রতিকার চাই। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন ও বিতরণ বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবদুল হান্নান বলেন, মিটার রিডিং দেখেই বিল করা হয়েছে এর মধ্যে কিছু গ্রাহকের বাড়তি বিদ্যুৎ বিল এসেছে এগুলো সংশোধন করে দেয়া হচ্ছে। আরা যারা মিটার রিডিং দেখার দায়িত্বে আছে তাদের কোনো অবহেলা থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।