শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০


শালবন বিহারে সবজি ও ভেষজ চাষ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
24.07.2020

স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লা শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরের পরিত্যক্ত জায়গায় ২০ প্রকার শাক-সবজির চাষ করা হচ্ছে। এছাড়া ২৫রকমের ভেষজ উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে। উৎপাদিত সবজি প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়সহ চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আশেপাশের নি¤œবিত্তের প্রায় ২৫০পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়,করোনার কারণে শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। কর্মচারীদের মাঝে মাঝে ঘাস,লতা-পাতা পরিস্কার ছাড়া তেমন কোন কাজ নেই। এদিকে কর্মকর্তারাও অলস বসে আছেন। কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় তারা সবজি চাষ করবে। পরিত্যক্ত স্থানে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবজি চাষ শুরু করেন। তা নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি পাশের নি¤œবিত্তের লোকজনকে দেয়া হচ্ছে। এখানে মিষ্টি কুমড়া,লাউ,চাল কুমড়া,ঢেঁড়শ,করলা,পুঁই শাক,কলমি শাক,ঝিঙ্গা,শসা,কচু ও কাকরোল প্রভৃতি চাষ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সালমানপুর গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, এখন আয় রোজকার কম। শালবনের সবজি পেয়ে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে।
এদিকে শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর আঙ্গিনায় ভেষজ গাছ লাগানো হয়েছে। যা করোনা, টাইফয়েড, ডেংগু,উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তা হচ্ছে তিন প্রজাতির তুলসী,চিড়তা ,বাসক ,আকন্দ ,এ্যালোভেরা, পাথরকুচি ,পুদিনা,থানকুনি,অশ্বগন্ধা, ল্যামনগ্রাস,চুকাই,কাসাভা,লেবু ,নিসিন্দা, সজনে,মেন্দি,নিম,গায়নুরা,শিউলি, পেঁপে, আনারস,আখ,বেল,১০ প্রকার জবা, অপরাজিতা, নয়নতারা, তোকমা,খানমান,হলুদ ও আদা ইত্যাদি।
প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আতাউর রহমান বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খালি ভূমিতে উৎপাদনের আহবানের পরে আমরা কাজ শুরু করি। ফাঁকা পরিত্যক্ত জায়গায় ২০ প্রকার শাক-সবজি উৎপাদন করা হয়। তা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী,পাশের বিভিন্ন অফিসসহ আশেপাশের প্রায় ২৫০পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়া ২৫রকমের ভেষজ উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আমার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার স্বপ্না এবং সন্তানরাও সবজি এবং ভেষজ উৎপাদনে সময় দিচ্ছে।