বুধবার ৫ অগাস্ট ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » পানবিন্দি মানুষরে র্দুভােগ চলবে মধ্য আগস্ট র্পযন্ত


পানবিন্দি মানুষরে র্দুভােগ চলবে মধ্য আগস্ট র্পযন্ত


আমাদের কুমিল্লা .কম :
29.07.2020

নিউজ ডেস্ক।।
দশেরে ৩১ জলো বন্যাকবলতি। বন্যার কারণে জলোগুলোর প্রায় ৪৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭৩২ জন মানুষ পানবিন্দি অবস্থায় মানবতের জীবন যাপন করছনে। বন্যা র্পূবাভাস ও সর্তকীকরণ কন্দ্রে বলছে পানবিন্দি মানুষকে মধ্য আগস্ট র্পযন্ত র্দুভােগ পোহাতে হতে পার।ে কারণ ঢাকা মুন্সগিঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরদিপুর, চাঁদপুর, গাইবান্ধা, নাটোর বগুড়া, সরিাজগঞ্জ, কুড়গ্রিাম, জামালপুর, ও নওগা জলোয় বন্যা পরস্থিতিি আগামী কয়কেদনিে আরও অবনতি হতে পার।ে এর পর হয়তো পানি নামতে শুরু করব,ে তবে সমুদ্রে জোয়ার থাকলে দশেরে মধ্যাঞ্চলে বন্যার পানি নামতে বলিম্বতি হব।ে যা চলবে মধ্য আগস্ট র্পযন্ত।
ত্রাণ ও র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় দশেরে বন্যাকবলতি ৩১ জলোর মধ্যে রয়ছেে লালমনরিহাট, কুড়গ্রিাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, সলিটে, সুনামগঞ্জ, সরিাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মানকিগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরদিপুর, নত্রেকোনা, ফনেী, নওগাঁ, শরীয়তপুর, ঢাকা, নোয়াখালী, হবগিঞ্জ, ময়মনসংিহ, কশিোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়য়িা, লক্ষীপুর, নাটোর, গাজীপুর, মৌলভীবাজার, মুন্সগিঞ্জ ও মাদারীপুর। এসব জলোর পানবিন্দি মানুষরে সংখ্যা ৪৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭৩২ জন। ক্ষতগ্রিস্ত পরবিাররে সংখ্যা ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৬০৯ট।ি বন্যাকবলতি ইউনয়িনরে সংখ্যা ৮৯৯ট।ি আর এ র্পযন্ত বন্যার পানতিে ডুব,ে নৌকা ডুবে মারা গছেনে ৩৫ জন।
পানি থকেে বাঁচতে বন্যাকবলতি মানুষ নজিরে বাড়তিে ঘররে চাল,ে বা উঁচু মাচা কর,ে কউে সরকারি আশ্রয় কন্দ্রে,ে কউে বড়েবিাঁধরে ওপর, কউে বাড়ঘির ছড়েে অন্যত্র আত্মীয়স্বজনরে বাড়,ি আবার কউে খোলা আকাশরে নচিে বসবাস করছনে। সরকারি ত্রাণ বতিরণ চলছ,ে তবে তা প্রয়োজনরে তুলনায় অপ্রতুল বলে অভযিোগ করছনে ভুক্তভোগীরা।
র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়রে সূত্র জানায়, সোমবার ২৭ জুলাই বকিাল সাড়ে ৪টা নাগাদ দশেরে বন্যা কবলতি জলোয় আশ্রয়কন্দ্রে খোলা হয়ছেে এক হাজার ৫৯২ট।ি এসব আশ্রয় কন্দ্রেে আশ্রয় নওেয়া মানুষরে সংখ্যা ৮৮ হাজার ২৩৩ জন। এদরে মধ্যে পুরুষ ৩৬ হাজার ৪৯৭ জন, নারী ৩২ হাজার ৯৯৮ জন। শশিুর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪৭৬ জন ও প্রতবিন্ধী ২৭২ জন।
এদকিে চলমান বন্যা মোকাবলিায় র্দুগত মানুষদরেকে সব ধরনরে সহযোগতিা করার নর্দিশে দয়িছেনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা। তনিি বলছেনে, কোভডি ও বন্যা যহেতেু একসঙ্গে এসছে,ে এ কারণইে একটু বশেি কয়োরফুল থাকতে হব।ে সব মন্ত্রণালয়রে মাঠ র্পযায়রে র্কমর্কতা-র্কমচারীরা মাঠইে থাকবনে, মানুষরে পাশে থাকবনে। এসময় বন্যায় আমনরে ক্ষতি হলওে পলরি কারণে বন্যার পররে সুফল নতিে কৃষি বভিাগরে ব্লক সুপারভাইজারদরে নর্দিশেনা দনে তনি।ি
প্রধানমন্ত্রী বলনে, যখোনে বন্যা কবলতি মানুষরে জন্য র্পযাপ্ত আশ্রয় কন্দ্রে নইে, সখোনকার স্কুল, কলজে, মাদ্রাসায় মানুষজন যাতে আশ্রয় নতিে পারে সে ব্যবস্থা নতিে হব।ে
এদকিে জানা গছে,ে এখনও বন্যা কবলতি চার জলোয় কোনও আশ্রয়কন্দ্রে খোলা হয়ন।ি অন্যদকিে বন্যা পরস্থিতিরি উন্নতি হওয়ায় বশে কয়কেটি জলোয় খোলা আশ্রয়কন্দ্রে থকেে র্দুগত লোকজন বাড়ি চলে গছেনে।
র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়রে ন্যাশনাল ডজিস্টোর রসেপন্স কো-র্অডনিশেন সন্টোর (এনডআিরসসি)ি সূত্রে জানা গছে,ে লালমনরিহাট, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী ও ও গাজীপুর জলোয় কোনও আশ্রয়কন্দ্রে নইে। এর মধ্যে লালমনরিহাটরে কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, লালমনরিহাট সদর, আদতিমারি ও পাটগ্রাম উপজলোয় পানবিন্দি ৩৯ হাজার ৫৪৮টি পরবিাররে মানুষরে সংখ্যা এক লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৬ জন।

রংপুর জলোয় গংগাচড়া, কাউনয়িা ও পীরগাছা উপজলোয় পানবিন্দি হয়ে পড়ছেে ১৮ হাজার পরবিাররে ৫০ হাজার সদস্য। টাঙ্গাইল জলোর গোপালপুর, ভূঞাপুর, কালহিাত,ি টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও দলেদুয়ার উপজলোয় পানবিন্দি পরবিাররে সংখ্যা ২২ হাজার ৪০০। এসব পরবিাররে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩০৪ জন সদস্য র্দুভােগ পোহাচ্ছনে। তবে রাজবাড়ি জলোয় এখনও র্পযন্ত বন্যার উদ্ভব হয়নি বলে আশ্রয়কন্দ্রে খোলার প্রয়োজন হয়ন।ি যহেতেু এ জলোর পাশ দয়িে বয়ে গছেে পদ্মা নদী, সহেতেু বন্যার পানি নমেে যাওয়ার সময় এ জলো আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়ছে।ে
এছাড়াও মানকিগঞ্জ জলোয় ১০৪টি আশ্রয়কন্দ্রে খুলে তা বন্যা কবলতি মানুষরে জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়ছে।ে এ জলোয় এখনও র্পযন্ত বন্যা কবলতি মানুষরে সংখ্যা মাত্র তনি হাজার ৯৬ জন। পরবিাররে সংখ্যা ৬৮৮ট।ি
অপরদকিে বন্যার পানি কছিুটা কমতে শুরু করায় নত্রেকোনা ও নওগাঁ জলোয় খোলা আশ্রয় কন্দ্রে থকেে মানুষজন বাড়ি চলে গছে।ে ফনেীতে এখনও বন্যার উদ্ভব হয়নি বধিায় আশ্রয়কন্দ্রে খোলার প্রয়োজন পড়নেি বলে জানয়িছেনে সংশ্লষ্টি জলো প্রশাসকরা। নত্রেকোনা জলোয় বন্যাকবলতি উপজলোগুলো হচ্ছে র্দূগাপুর, কলমাকান্দা, খালয়িাজুড়,ি বারহাট্টা ও মদন। এসব উপজলোর ৩১টি ইউনয়িনরে আট হাজার ৬০০ পরবিাররে ৬৪ হাজার ১০০ মানুষ র্বতমানে পানবিন্দি অবস্থায় রয়ছেনে।
এনডআিরসসিি সূত্র জানায়, আশ্রয়কন্দ্রেগুলোয় ৭৪ হাজার ৬৯৭টি গবাদপিশু আশ্রয় নয়িছে।ে এর মধ্যে গরু ও মহষি ৪১ হাজার ২৭৪ট।ি ছাগল ও ভড়ো ২৪ হাজার ৩৪৮ট।ি এবং অন্যান্য গৃহপালতি পশু ৯ হাজার ৭৫ট।ি এ সব জলোর মাছরে ঘরেরে মাছ ভসেে গছে,ে সবজি ও ফসলরে ক্ষতি হয়ছেে ব্যাপক। তবে এর হসিাব এখনও করা সম্ভব হয়ন।ি বন্যার পানি নামতে শুরু করলে এসব ক্ষয়ক্ষতরি হসিাব করা হবে বলে জলো প্রশাসন সূত্র জানয়িছে।ে
বন্যাকবলতি জলোয় জরুরি সবোর জন্য ৯৩৬টি মডেক্যিাল টমি গঠন করা হলওে র্বতমানে ৪১৮টি টমি কাজ করছ।ে
আবহাওয়া অফসি জানয়িছে,ে অতবিৃষ্টজিনতি উজান থকেে নমেে আসা পাহাড়ি ঢল বন্যার কারণ। এতে দশেরে শাখাপ্রশাখাসহ ছোট-বড় মলিয়িে প্রায় ৮০০ নদনদী বপিুল জলরাশি নয়িে ২৪ হাজার ১৪০ র্বগ কলিোমটিার জায়গা দখল করে দশেরে মধ্যে প্রবাহতি হচ্ছ।ে জুলাই মাসে আরও বৃষ্টপিাত হব।ে এ মাসে স্বাভাবকি বৃষ্টপিাতও হব।ে তবে মৌসুমি ভারী বৃষ্টপিাতরে কারণে দশেরে উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে মধ্যময়োদি বন্যা পরস্থিতিরি উদ্ভব হব।ে তবে দশেরে উত্তর র্পূবাঞ্চলে উত্তর পশ্চমিাঞ্চলে স্বল্পময়োদি বন্যা দখো দতিে পার।ে
র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানয়িছে,ে বন্যা বা জলোচ্ছ্বাসরে মতো প্রাকৃতকি র্দুযােগে ব্যবহাররে জন্য বশিষে নৌযান বা উদ্ধারকারী বোট প্রস্তুত করা হয়ছে।ে বাংলাদশে সনোবাহনিী ও নারায়ণগঞ্জ ডকইর্য়াড যৌথভাবে র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে আগামী ৩ বছরে ৬০টি নৌযান সরবরাহ করব।ে প্রতটিি বোটে প্রাথমকি চকিৎিসা সরঞ্জাম, একটি হুইল চয়োর, একটি স্ট্রচোর এবং একটি ওয়াকটিকি থাকব।ে প্রতটিি বোটে ৮০ জন যাত্রী ছাড়াও গৃহপালতি পশুপাখি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি বহন করা যাব।ে
র্দুযােগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতমিন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলনে, বন্যা পরস্থিতিি মনটিরংিয়রে জন্য ৬টি কমটিি গঠন করা হয়ছে।ে কমটিগিুলোকে আগামী ২১ দনিরে জন্য দায়ত্বি দওেয়া হয়ছে।ে এ সময় কমটিগিুলো উপজলো, ইউনয়িন গ্রাম র্পযায়রে ত্রাণ সহায়তা র্কাযক্রম তদারকি করবে বলে জানান তনি।ি