মঙ্গল্বার ২৯ †m‡Þ¤^i ২০২০


কুমিল্লায় সাড়ে ১০ হাজার মসজিদে হবে ঈদের নামাজ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
31.07.2020

ফাইল ছবি।

আবু সুফিয়ান রাসেল।।
শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। সরকারি নির্দেশনায় চলতি বছর ঈদগা বা খোলা আকাশের নিচে নয়, মসজিদে ঈদের জামাত হবে। নগরীসহ কুমিল্লার ১৭ উপজেলার ১০ হাজার ৫শ ৪৯ টি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে । নগরীর ১৩৫টি মসজিদের বেশী সংখ্যাক স্থানে ঈদের জামাত সকাল ৮ টায় হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে মসজিদ সমূহে বেশী সংখ্যাক মসজিদে নামাজ সকাল ৯ টায় হবে । এ ছাড়াও কোথায়ও এর আগে এবং পরেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার সূত্র মতে, কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ , ছাতিপট্টি জামে মসজিদ , পুলিশ লাইন জামে মসজিদ, বন্দিশাহী জামে মসজিদ, পুরাতন ফেরীঘাট জামে মসজিদ, মুন্সেফ বাড়ী জমে মসজিদ ,ষ্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদ, কেটিসিসি জামে মসজিদ, ঝাউতলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, দক্ষিণ চর্থা থিরাপুকুরপাড় জামে মসজিদ, আদালত জামে মসজিদ , কালিয়াজুরী বড় মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, জানু মিয়া জামে মসজিদে সকাল ৮ টায় ঈদের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়াও বাবুস সালাত জামে মসজিদ ৭.০০, রেইসকোর্স সুন্নিয়া জামে মসজিদ ৭.৩০ ,টি এন্ড টি জামে মসজিদ ৭.৩০,উত্তর আশ্রাফপুর মাজার মসজিদ ৭.১৫ ,দারোগা বাড়ী শাহ আব্দুল্লাহ গাজী পুরী জামে মসজিদ ৭.৩০, ছোটরা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ ৭.৩০,নবাববাড়ী চৌমহনী জামে মসজিদ ৮.১৫ ,তালপুকুরপাড় জামে মসজিদ ৭.৩০ ,শাহসুজা জামে মসজিদ ৮.৩০ ঘটিকায় ঈদের নামাজের সম্ভব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

দাউদকান্দি ৭৮৯, মেঘনা ২৭৩, হোমনা ৫৫৩, তিতাস ৪৫৩, মুরাদনগর ১১০৬,দেবিদ্বার ৮০৫, বুড়িচং ৫৩৮, ব্রাহ্মণপাড়া ৩৩২, আদর্শ সদর ২২৩,সিটি কর্পোরেশন এলাকা ১৩৫, চান্দিনা ৭৬১, বরুড়া ৯১৮, লাকসাম ৫৩৯, মনোহরগঞ্জ ৫০৫, সদর দক্ষিণ ৪১৪, লালমাই ৫৫৫, নাঙ্গলকোট ৬৮৩, চৌদ্দগ্রাম ৯৬৭ সহ ১০ হাজার ৫শ ৪৯ টি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগার ইমাম মুফতি মো. ইব্রাহীম ক্বাদেরী জানান, ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৮ টায় হবে। যদি মুসল্লি সংখ্যা বেশী হয়, তবে পরপর আর দুটি জামাত করার প্রস্তুতি রয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সরকারি নির্দেশনা মেনে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে। মুসল্লিাদের এ বিষয়ে জুমার নামাজে বিস্তারিত বলা হবে।
জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপ-পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম বলেন, সরকারি ভাবে সবাইকে স্বাস্থবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যারা অসুস্থ বা রোগীর সেবায় নিয়োজিত ছিলো তাদের মসজিদে না আসার জন্য বলা হয়েছে। সবাই বাড়ি থেকে ওজু করে আসতে হবে। মাস্ক পরে আসবে ও নিজ নিজ জায়নামাজ সাথে নিয়ে আসবে। কোলাকুলি না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আর মসজিদের দায়িত্বে যারা আছে, তাদের প্রতি অনুরোধ। কার্পেট বা জায়নামাজ বিছানো যাবে না। মসজিদ জীবানু মুক্ত করতে হবে। দূরত্ব রেখে মুসল্লিাদের দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক জামাত করার ব্যবস্থা রাখুন।