শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০


মতলব ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী


আমাদের কুমিল্লা .কম :
07.08.2020

স্টাফ রিপোর্টার।।

“পুরানো সেই দিনের কথা ভুলি কি করে হায়”- এই শ্লোগানটি সামনে রেখে ঈদুল আযহা’র পরদিন গত রবিবার চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাধীন বলাইরকান্দি দাশের বাজারস্থ ডাঃ আমির হোসেন এর ফামের্সির সামনে “আলোকিত ’৯৫ বন্ধু ফোরাম” -এর আয়োজনে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী ও আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য ও ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী পুনর্মিলনীর অন্যতম উদ্যোক্তা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ও বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোঃ ছগির আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ মাকসুদ আহমেদ, বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাসেল চৌধুরী, বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডাঃ আমির হোসেন এবং বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মোঃ মনোয়ার হোসেন (আনোয়ার) প্রমুখ।
ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অন্যতম উদ্যোক্তা এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- আমার স্মৃতিগুলো অতীতকে জীবন্ত করে বর্তমানকে ভুলিয়ে দিতে চায়। ভালো লাগে অতীতের স্মৃতিচারণ করতে। স্মৃতির যে অধ্যায়টি আমার কাছে সবচেয়ে সুখের তা হলো আমার স্কুল জীবন আর শৈশব। আরো দুই যুগ আগে স্কুল পার করে এসেছি। তারপরও সেসব স্মৃতি আমার জীবনের অনেকখানি জায়গা জুড়ে আছে। আমার দুরন্ত শৈশব আর স্কুলের কথা মনে পড়লে মাঝে মাঝে মনে হয় কেন বড় হলাম। ছোট থাকাই ভালো ছিল। আমি একই উপজেলার নান্দুরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। নতুন স্কুলে এসে আমি যেনো এক বড় জগৎ দেখতে পেলাম। প্রথম প্রথম নতুন পরিবেশ অস্বস্তিকর মনে হতো। তবে ধীরে ধীরে সেটা আমার বাড়ির মতো আপন হয়ে উঠল। আমি বড়দের বরাবর সম্মান করে চলি। আর আমার এই গুণ স্কুলে আমাকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিচিত করে ফেলে। এ কারণেই হয়তো স্কুলের সব শিক্ষক আমাকে স্নেহ করতেন। শিক্ষক আর বন্ধুদের স্নেহ- ভালোবাসায় আমার স্কুল জীবন হয়ে উঠেছিল আনন্দের ও গৌরবময়।