বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » কুমিল্লায় সুস্থ ৭৫ শতাংশ করোনা রোগী, কমেছে নমুনা সংগ্রহ


কুমিল্লায় সুস্থ ৭৫ শতাংশ করোনা রোগী, কমেছে নমুনা সংগ্রহ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.08.2020

তৈয়বুর রহমান সোহেল।।
কুমিল্লায় দ্রুত বাড়ছে করোনা থেকে সুস্থ রোগীর সংখ্যা। জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৭৫ শতাংশ করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ৮২৩জনের। সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ৩৫৮জন।
গত ৩০দিনে সংক্রমণও অনেকটা কমে এসেছে। কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রদত্ত গত ৫৯দিনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১২জুন পর্যন্ত জেলায় মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৩ হাজার ৪৯৩জনের। এসময়ে নিশ্চিত করোনা সংক্রমণ হয় এক হাজার ৭১৪জনের। আর সুস্থ হন ২৯৮জন করোনা রোগী। মারা যান ৪৯জন। জুন মাসের ১২ তারিখ থেকে জুলাই মাসের ১০তারিখ পর্যন্ত সময়ে সংক্রমণ অনেকাংশে বেড়ে যায়। জুলাই মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয় মোট ২১হাজার ২৯৫জনের। এ ২৯দিনে করোনা শনাক্ত হয় দুই হাজার ৫৯৬জনের। জেলায় করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চার হাজার ৩১০ জনে। নমুনা সংগ্রহ করা হয় সাত হাজার ৮০২জনের। সুস্থ হন এক হাজার ৯১৯জন করোনা রোগী। মোট সুস্থ হন দুই হাজার ২১৭জন। আর মারা যান ১২১জন। এ সময়ে নিশ্চিত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৭২জন করোনা রোগী। পরবর্তী ৩০দিনে অর্থাৎ আগস্ট মাসের ৮তারিখ পর্যন্ত মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২৭হাজার ৩০১জনের। ৩০দিনে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ছয় হাজার ছয় জনের। পূর্ববর্তী ২৯দিন থেকে পরবর্তী ৩০দিনে ১৭৯৬টি নমুনা কম সংগ্রহ করা হয়। একমাসে করোনা শনাক্ত হয় এক হাজার ৫১৩জনের। আগের ২৯দিনের তুলনায় পরবর্তী ৩০দিনে এক হাজার ৮৩জনের করোনা কম শনাক্ত হয়। এ সময়ে সুস্থ হন দুই হাজার ১৪১জন। সর্বশেষ মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় চার হাজার ৩৫৮জনে। আর এ সময়ে মারা যান ২৯জন করোনা রোগী। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫০জনে।
সারাদেশের তুলনায় সুস্থতার হারে এগিয়ে থাকলেও মৃত্যুহার বেশি কুমিল্লা জেলায়। শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্য দুই লাখ ৫৫হাজার ১১১জন। সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৪৬হাজার ৬১৪জন। মোট সুস্থতার হার প্রায় সাড়ে ৫৭শতাংশ। মোট মারা গেছেন তিন হাজার ৩৬৫জন। মৃত্যুহার এক দশমিক তিন দুই শতাংশ। আর কুমিল্লা জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৫০জন। আক্রান্ত অনুপাতে জেলায় মোট মৃত্যুহার দুই দশমিক পাঁচ আট শতাংশ।
কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান জানান, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার কারণে কুমিল্লায় সুস্থতার হার বেড়ে গেছে। এ কৃতিত্বের ভাগীদার কুমিল্লার সবাই।
পরীক্ষা কম হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, স্থিতিশীল পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক কারণ ও ঈদুল আজহার কারণে পরীক্ষা কিছুটা কমে গিয়েছিল। এখন পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে।