শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » ব্রাহ্মণপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা প্রশাসকের সহায়তা


ব্রাহ্মণপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা প্রশাসকের সহায়তা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.08.2020

ফারুক আহাম্মদ, ব্রাহ্মণপাড়া।।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদর বাজারে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের আয়োজনে এক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত ১১ জন ব্যবসায়ীর মাঝে প্রতিজনকে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ৩০ কেজি করে চাউল খাদ্য সহায়তা হিসাবে প্রদান করেন। এছাড়া অগ্নিকা-ের পরদিন সাবেক মন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট আবদুল মতিন খসরু এমপি এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ৫ হাজার টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন।

তিনি ব্যবসায়ীদের মাঝে সরকারি টিন অনুদান হিসাবে বিতরণ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু তাহেরের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেন তার ছোট ভাই সমাজসেবক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবু জাহের। বুধবার জেলা প্রশাসকের অনুদান বিতরণে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল হক, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া ছিদ্দিকা, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভ’মি) ব্রাহ্মণপাড়া মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভ’মি) বুড়িচং তাহমিদা আক্তার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাফর সাদিক চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সুজন, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী জসিম উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা ছারোয়ার খান, ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তবা আলী শাহিন, আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মনিরুল হকসহ উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেক্ষ্য গত সোমবার রাত ১২টায় ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার মার্কেটে বৈদ্যুতিক শর্ট শার্কিট থেকে কনফেকশনারি, কাপড়ের দোকান, চাল ও গরুর খাবারে দোকান, কসমেটিক্স দোকান এবং হোটেলসহ ১১টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতির দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা।