শুক্রবার ২৫ †m‡Þ¤^i ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » ফের অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে কুমিল্লা নগরীর কাঁচা বাজার


ফের অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে কুমিল্লা নগরীর কাঁচা বাজার


আমাদের কুমিল্লা .কম :
28.08.2020

আবু সুফিয়ান রাসেল।।

অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে কুমিল্লা শহরেরর কাঁচা বাজার। বেড়েছে মরিচের ঝাঁজ। অতিরিক্ত দামে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা দুষছেন বৃষ্টি ও বন্যাকে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নগরীর চকবাজার বাজার, রাজগঞ্জ, বাদশা মিয়া বাজার, টমচমব্রীজ, নিউ মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকায়। ২৫০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। ২৫০ গ্রাম কিনলে যার দাম পড়তো ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। কালো মরিচ কেজি ৩০০ টাকা কেজি। অন্যদিকে বাজার ও মানভেদে অন্যান্য সবজিও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি ধুন্দল, ঝিঙ্গা, কাঁকরল, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। করলা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি, কচুর লতি, কচুরমুখী ৪০ থেকে ৫৫ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

আর প্রতি কেজি টমেটো ১০০ টাকা ও গাজর ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মূলা ৬০ টাকা, শশা ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি কাঁচা কলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

রাণীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১২০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ১৮০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায়, পাকিস্তানি কক মুরগি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায়, দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৮-৩২ টাকায়।

বাদশা মিয়া বাজারে কথা হয় ক্রেতা তৌহিদ হোসেন সরকারের সাথে। তিনি জানান গত শীত থেকে যে তরকারীর দাম বেড়েছে তা এখনো কমেনি। অল্প আয়ের মানুষের জীবন খুবই কষ্টের। সরকার এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

নিউ মার্কেটের কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে। যাতায়াত খরচ, বাজার খরচসহ নানা করণে বেশী দামে বিক্রি করতে হয়।

রাজগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া বলেন,
পাইকারি বাজারের উপর খুচরা বাজার নির্ভর করে। যে মাল আমরা বেশী দামে কিনি, তা বেশী দামে বিক্রি করতে হয়।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা প্রধান মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, কাঁচাবাজারের দর প্রতিদিন উঠা মানা করে। এ ক্ষেত্রে বিক্রেতাদের অবশ্যই পাইকারির ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে, যেন অভিযান চলাকালীন তা শো করতে পারে।