বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » পুকুর পাড় ভেঙ্গে পাঁচ শতাধিক পরিবারের লোকজনের দুর্ভোগ


পুকুর পাড় ভেঙ্গে পাঁচ শতাধিক পরিবারের লোকজনের দুর্ভোগ


আমাদের কুমিল্লা .কম :
17.09.2020

বিল্লাল হোসেন।।
বরুড়া উপজেলাধীন শাকপুর ইউনিয়নের শাকপুর গ্রামের মৎস্য ফিসারীর মালিক মো. আবদুস ছাত্তারের খেয়ালিপনায় ওই গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারের লোকজনের যাতায়াতের সড়কটি বিলীন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, শাকপুর ৮নং ওয়ার্ডের শাকপুর মৌজায় ২১৬ শতক জমির বৈসার নামক দিঘিটি মো. জয়নাল আবেদীন খন্দকার, মো. মাসুদ মিয়া খন্দকার, মো. জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার, মো. আনোয়ার হোসেন খন্দকার, মো. মাহবুবুর রহমান খন্দকার, মো. খলিলুর রহমান খন্দকার নামীয় ব্যক্তিগণ দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ উক্ত দিঘিটি লিজ নিয়ে ভোগদখলে আছে। মো. আবদুস ছাত্তার তাদের কাছ থেকে গত এক বছর পূর্বে উক্ত দিঘিটি মৎস্য চাষের জন্য চার বছরের চুক্তিতে পোষানী নেয়। বর্তমানে ফিসারীর মালিক দিঘির পাড় না বেঁধে মাছ চাষ করার ফলে রাস্তাটি ভেঙ্গে বিলীন হওয়ার পথে। স্থানীয় মো. মিজানুর রহমান, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আলম, মো. আবু তাহের, মো. ইউসুফ মিয়ার সাথে আলাপ কালে তারা জানায়, এই রাস্তাটি আমাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় দুই কিলোমিটার। যার প্রায় ২০০ গজ বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য। রাস্তাটির পাড় এমন ভাবে ভেঙ্গে গেছে যা বর্তমানে জনসাধারণের চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী। এখানকার প্রায় ৯০% লোকই কৃষক। আমরা আমাদের আবাদকৃত ফসল সবজি, ধান ইত্যাদি রিক্সা বা কোন যানবাহনের মাধ্যমে বাজারে আনা নেওয়া একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তাটি ফিসারী মালিকের খেয়ালিপনায় এহেন দশায় পরিণত হয়েছে। অতি শীঘ্রই রাস্তাটির মেরামত না হলে আমরা কৃষকেরা জীবিকা নির্বাহ করতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হবে। আমরা রাস্তাটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফিসারীর মালিক মো. আবদুস ছাত্তার জানান, আমি বিগত ১ বছর পূর্বে লিজ মালিকদের কাছ থেকে পোষাণী নিয়ে মাছের চাষাবাদ করে আসছি। বর্ষা মৌসুমে দিঘীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রাস্তার পাড়টি ভেঙ্গে গেছে। গ্রামবাসীর এহেন অসুবিধার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। বর্ষা মৌসুম শেষে আমি লিজ মালিকদের সাথে সমন্বয় করে রাস্তাটি মেরামত করে দিব।