বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০


কুমিল্লায় সবজির বাজারের অস্থিরতা কমেনি


আমাদের কুমিল্লা .কম :
08.10.2020

ছবি: আবদুল্লাহ আল মারুফ

আবদুল্লাহ আল মারুফ।।
গত কয়েক দিনের ব্যবধানে কুমিল্লার সবজি বাজারে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কুমিল্লার নিম্ন আয়ের মানুষ। চাহিদার তুলনায় কম উৎপাদন আবার উৎপাদনের তুলনায় কম সরবরাহের কারনেই এত বাড়তি দাম বলে জানিয়েছে পাইকারী বিক্রেতারা। কৃষকরা বলছেন অতি বৃষ্টিতে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সবজির লাগাম ছাড়া দাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লার রাণীর বাজার, চক বাজার, রাজগঞ্জ বাজার, টমচম ব্রিজ বাজার ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত । কোন কোন সবজির দাম ৩০ টাকাও বেড়েছে। আর মাত্র একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। পটল-গত সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০টাকা। কচুর ছড়া, লতি, কচুর কাঠ সবগুলোতেই বেড়েছে ১৫ টাকা করে। লাউ ও কুমড়ার প্রতি পিস গত সপ্তাহের তুলনায় দ্বীগুন বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি পুই শাকের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা বেশি দরে ৮০ টাকা। ঢেঁড়স ৫০থেকে ৫৫ টাকা। গত সপ্তাহে ৮০ টাকার টমেটো এখন বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা, ৯০ টাকার শশা এই সপ্তাহে ১১০ টাকা, সিম ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, আর বরবটি ৮০ টাকা, ৪০ টাকার গোল বেগুন ৭০ টাকা, আর ৬০ টাকার লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, মিনা প্রতি কেজি ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫ টাকা। ফুল কফি প্রতি পিস ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু মূলার দাম কমেছে। ৫০ টাকার মূলা এখন ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নিমসার বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা বেশিতে বিক্রি করতে হচ্ছে বলে খুচরা বিক্রেতারাও বেশি বিক্রি করতে হয়। কারন সবজি স্টক করে রাখা যায় না। তার মধ্যে যেই পরিমাণ চাহিদা, তার তুলনায় উৎপাদন খুবই কম। যার ফলে সবজি বাজারে আসলেও বেশিক্ষণ থাকেনা। আড়তে যা আসছে অনেকটাই কাড়াকাড়ি করে কিনতে হচ্ছে।
টমচম ব্রিজ বাজারের ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন জানান, আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমরাও বিপাকের মধ্যে আছি। সবজি পাই না। একরকম যুদ্ধ করে সবজি আনতে হয়।
সাধারণ ক্রেতাদের দাবী, প্রশাসন যদি অন্যান্য মর্কেটের ন্যায় সবজির বাজারেও অভিযান চালাত তাহলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রনে থাকত।