শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » প্রধান শিক্ষককে মারধর, বিদ্যোৎসাহী ও অভিভাবক সদস্য আটক


প্রধান শিক্ষককে মারধর, বিদ্যোৎসাহী ও অভিভাবক সদস্য আটক


আমাদের কুমিল্লা .কম :
18.10.2020

এন এ মুরাদ,মুরাদনগর।।
কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে বিদ্যোৎসাহী ও অভিভাবক সদস্যকে আটক করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন উপজেলা সদর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে আবদুল বাক্কী(৪০) ও একই ইউনিয়নের করকটিয়া গ্রামের মৃত আবদুল বাতেন মিয়ার ছেলে আয়নল হক ওরফে শিবু(৪০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঘোড়াশাল আবদুল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সাথে বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য আবদুল বাক্কী ও অভিভবক সদস্য আয়নল হক শিবুর সাথে বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন দোকান ভাড়ার অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এরই মাঝে বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি ভবন ২লক্ষ টাকা বিক্রি করে সেই টাকা থেকেও ৫০হাজার টাকা টাকা আত্মসাৎ করেন এই দুই সদস্য। ১৭ অক্টোবর উক্ত বিদ্যালয়ের শূন্যপদে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দিন ধার্য হয়। উক্ত নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিদ্যোৎসাহী সদস্য আবদুল বাক্কী ও অভিভবক সদস্য আয়নল হক শিবু ও অজ্ঞাতনামা ২/৩জন লোক ১৪ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করে কাদের পছন্দের ব্যক্তিকে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য প্রধান শিক্ষকের উপর চাপ সৃষ্টি করে। প্রধান শিক্ষক তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গালাগাল করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান শিক্ষককে মারধরসহ লাঞ্ছিত করে। এঘটনায় প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন মুরাদনগর থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করে শনিবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।