মঙ্গল্বার ২৪ নভেম্বর ২০২০


কুমিল্লায় নারী কাউন্সিলরকে ছুরিকাঘাত !


আমাদের কুমিল্লা .কম :
22.10.2020

মাহফুজ নান্টু||
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ পারিবারিক দ্বন্ধের জের ধরে সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন নেহার বেগম। তিনি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৬,১৭ ও ১৮ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর। তার বাড়ী নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
স্থানীয়রা জানান, কাউন্সিলর নেহার বেগমের সাথে তার স্বামী রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়ার সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বনিবনা নেই।
আহত কাউন্সিলর নেহার বেগম দ্বিতীয় ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন বলেন, আমার বাবা প্রায়ই আমার মা’র সাথে জগড়া বিবাদে জড়াতো। অনেক অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত আমার বাবা। বিষয়টি নিয়ে আমরা পাঁচ ভাই বোন অশান্তির মধ্যে থাকি। পরে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারী মাসে আমার মা নেহার বেগম আমার বাবা রফিকুল ইসলাম রুক্কু মিয়াকে তালাক দেন। তারপর থেকে আমার বাবা প্রায়ই আমার মা নেহার বেগমকে মারধর করার হুমকি দিতো।
ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন আরো বলেন, আমার মা আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাটতে বের হন। এ সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আমার বাবা রফিকুল ইসলাম কাটার নিয়ে আমার মায়ের উপর ঝাপিয়ে পড়েন। তার গলায় আঘাত করেন। আমার মা মাটি লুটিয়ে পড়লে আমার বাবা পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আমার মা’কে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মুশফিক আহমেদ জানান, নেহার বেগমের ঘারে ধারালো ছুরি আঘাত ছিলো। অন্তত ৩০ টি সেলাই লেগেছে। এখন তিনি আশংকামুক্ত রয়েছেন।
এদিকে কাউন্সিলর নেহার বেগমের উপর হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে চকবাজার ফাঁড়ির আইসি মোঃ জাকির হোসেন। হামলার বিষয়টি নিয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, কাউন্সিলর নেহার বেগম এখন আশংকামুক্ত। আমরা অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে আটক করতে অভিযান পরিচালনা করছি। তবে কাউন্সিলর নেহার বেগমের পরিবার থেকে এখনো লিখিত বা মৌখিত অভিযোগ পাই নি।
এদিকে নেহার বেগমের ছেলে জহিরুল ইসলাম সুমন বলেন, আম্মাকে আগে চিকিৎসার দরকার ছিলো। এখন আমরা মামলা করবো।