রবিবার ১৭ জানুয়ারী ২০২১
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » মেঘনার অভ্যন্তরীণ ১৮৫কিমি রাস্তার বেহাল দশা


মেঘনার অভ্যন্তরীণ ১৮৫কিমি রাস্তার বেহাল দশা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.10.2020

এম এইচ বিপ্লব শিকদার, মেঘনা ||
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার অভ্যন্তরীণ ১৮৫ কিলোমিটার রাস্তা বৃষ্টির কারণে খানাখন্দে বেহাল দশা বিরাজ করছে। চন্দনপুর বাজার থেকে মানিকার চর বাজার পর্যন্ত ঠিকাদারের অবহেলায়,ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ সড়ক ভাটের চর- উপজেলা, আলিপুর-মানিকার চর বাজার, মানিকার চর – ছিনাই মোড়, সেননগর-কদমতলা, রামপুর বাজার-মানিকার চর বাজার পর্যন্ত রাস্তা বৃষ্টিতে খানাখন্দ ভরা। সড়ক প্রায় চলাচল অনুপযোগী, এতে ঘটছে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা। চন্দন পুর-মানিকার চর বাজার প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তার কাজ দরপত্রের মাধ্যমে সোহাগ এন্টারপ্রাইজ এর নামে ওয়ার্ক অর্ডার হয়। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কাজটি শেষ না করায় খানাখন্দভরা।
মেঘনা-কাঠালিয়া নদী বেষ্টিত, নিম্নাঞ্চল হিসেবে খ্যাত এই উপজেলা। এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা, ৫৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ১৩১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে। প্রায় সব রাস্তাই বৃষ্টির কারণে প্রতিবছরই খানাখন্দ হয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে যায়। বর্তমানেও ঠিক একই অবস্থা। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ঘটছে দুর্ঘটনা।
এই বিষয়ে সোহাগ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো: জামাল মেম্বার বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজ ধরতে দেরি হয়েছে। এখন মালামাল নিয়ে আসছি। বর্তমানে সুরকি রাস্তায় ফেলা হচ্ছে।
এই রাস্তার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এই প্রতিবেদককে বলেন, ঠিকাদারকে একাধিকবার তাগিদ দিলেও অদৃশ্য কারণে তিনি কর্ণপাত করেননি। এই রাস্তার ব্যাপারে লিখিত ভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি, কিন্তু ঠিকাদার কোন উত্তর দেয়নি। তাই আমরা এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।
উপজেলা প্রকৌশলী আরো বলেন, মেঘনার প্রতিটি রাস্তায় বেলে মাটির পরিমাণ বেশি। তাই অল্প বৃষ্টি হলেও রাস্তা গুলো ভেঙে যায়, খানাখন্দ হয়। এ ছাড়া নিম্নাঞ্চল। আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে গাইড ওয়াল ও পাটা বিছিয়ে রাস্তাগুলো করতে পারি তা হলে টেকসই হবে। রাস্তাগুলো পূর্ণ মেরামতের আগ পর্যন্ত যেন খানাখন্দ না থাকে ও সব সময় সচল রাখা যায় সে চেষ্টা করছি।