শুক্রবার ২২ জানুয়ারী ২০২১
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » বেকারত্ব নিরসনে নেতৃত্ব দিবে ভিক্টোরিয়া কলেজ-শিক্ষা উপমন্ত্রী


বেকারত্ব নিরসনে নেতৃত্ব দিবে ভিক্টোরিয়া কলেজ-শিক্ষা উপমন্ত্রী


আমাদের কুমিল্লা .কম :
18.12.2020

স্টাফ রিপোর্টার।।
শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রসর জেলা কুমিল্লা। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডকে ভেঙে চট্টগ্রাম ও সিলেট শিক্ষাবোর্ড গঠিত হয়। এতে বোঝা যায়, কুমিল্লা শিক্ষায় কতটুকু অগ্রসর ছিল। কুমিল্লায় অনেক পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। কলেজটি একসময় দক্ষিণ বাংলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ছিল। এখান থেকে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করছে। আমি বলবো, এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে শুধুমাত্র নতুন নতুন ভবন চাইলে হবে না। আমরা চাই বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিকে প্রোভাইড করে কলেজটি কর্মমুখী শিক্ষায় অবদান রাখুক। বিভিন্ন বেসরকারি ফার্মকে প্রোভাইড করে নতুন নতুন কোর্সের ব্যবস্থা করুক। এতে বেকারত্ব নিরসন হবে। আর এতে নেতৃত্ব দিবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।
তিনি আরও বলেন, বাইরের ছেলেমেয়েরা কর্মমুখী শিক্ষা অর্জন করে খুব ভালো বেতনে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। অথচ আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা সে সুযোগটি নিচ্ছে না। কিছু সীমিত ও কমবেতনের চাকরির পেছনে তারা ছুটছে। এ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর রুহুল আমিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. এ.কে.এম আছাদুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর খান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন আহমেদ। আলোচক ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আসফাক হোসেন ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদা তোফা। সমন্বয়ক ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান ও সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জুবাইদা নূর খান।
কুমিল্লার সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কুমিল্লার শিক্ষা কর্মকর্তারা ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।