বৃহস্পতিবার ৬ †g ২০২১
  • প্রচ্ছদ » sub lead 3 » তিতাসে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে আহত ২০


তিতাসে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে আহত ২০


আমাদের কুমিল্লা .কম :
28.12.2020

তিতাস প্রতিনিধি
তিতাসে বসতবাড়ির জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ২০জন। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার সময় উপজেলার মজিদপুর বাজারের পেছনের গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে উভয় পক্ষের ১০জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মজিদপুর গ্রামের দুই চাচাতো ভাই নূর মোহাম্মদ ও মুর্শিদ মিয়ার সাথে বাড়ির জায়গা ও ফসলি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। গত সপ্তাহে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বৈঠকের মাধ্যমে তাদের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। শনিবার মুর্শিদ মিয়ার সীমানার মধ্যে থাকা নূর মোহাম্মদের ঘর জোরপূর্বক উচ্ছেদ করাকে কেন্দ্র ঘরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে নূর মোহাম্মদের পক্ষে ছামিদ আলী, নুরুল ইসলাম, কুদ্দুস মিয়া, সুমন মিয়া, নিবারন আক্তার, মিনরা বেগম, কার্তিক বেগম, বাদশা মিয়া এবং মুর্শিদ মিয়ার পক্ষের মহসিন মিয়া, শাহিন আহমেদ, বাদল মিয়া, ফয়সাল, ওমর আলী, শিরিনা আক্তার, ছালেহা আক্তার জাহাঙ্গীর আলম, কাউসার আহমেদ, ছাবেদা আক্তার আহত হয়। এদের মধ্যে উভয়গ্রুপের ১০জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
মুর্শিদ মিয়া বলেন, আমার সীমানার মধ্যে থাকা তাদের ঘর ও বেড়া বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভেঙে ফেলা হয়েছে । মুর্শিদ মিয়া ও তার পরিবার জানান, মজিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক মিয়া সরকারের নির্দেশে আমরা ঘর ভেঙেছি।
অপরদিকে নূর মোহাম্মদ বলেন, আমার সীমানায় থাকা তাদের ঘর না সরিয়ে আমাদের ঘর ভেঙে নিয়ে গেছে। মুর্শিদের ঘর সরিয়ে নিতে বললে তারা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের লোকজনদের মাথা ফাটিয়েছে, হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলেছে, দুইজনেকে কুপিয়ে জখম করেছে।
এ ব্যাপারে মজিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক মিয়া সরকার বলেন, সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয়পক্ষের ঘর কখন সরিয়ে নেবে তা সিদ্ধান্ত হয়নি। মুর্শিদ মিয়া নিজের ঘর না সরিয়ে নূর মোহাম্মদের ঘর কেন ভেঙে নিয়ে গেছে তা আমার জানা নেই।
তিতাস থানার ওসি সৈয়দ আহসানুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয়পক্ষকে শান্তির জন্য আহ্বান করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।