শুক্রবার ৫ gvP© ২০২১
  • প্রচ্ছদ » sub lead 2 » কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে মেয়র সাক্কুর অভিযান শুরু


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে মেয়র সাক্কুর অভিযান শুরু


আমাদের কুমিল্লা .কম :
05.02.2021

স্টাফ রিপোর্টার।।
জলাবদ্ধতা মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে অভিযানে নেমেছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। পাঁচ মাস ব্যাপী এ অভিযানের উদ্ধোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। অভিযানের প্রথম দিন নগরীর মুন্সেফ কোয়ার্টার, মফিজাবাদ কলোনি, শাসনগাছা ডাক বাংলা, কাপ্তান বাজার বেপারী পুকুর পাড় এবং উওর রেইসকোর্স খাল এবং নবাববাড়ি চৌমুহনী থেকে কান্দিখাল পরিষ্কার করা হয়।
এ সময় যত্রতত্রে মায়লা আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফালানোর জন্য নগর বাসিন্দাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও ব্যান্ড পার্টি বাজনার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয় সিটি কর্পোরেশন।
সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ১৩ বছর যাবত প্রতিবছর অভিযান চালিয়ে এবং নানা প্রচারণা চালিয়ে নগর বাসিন্দাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি। আমরা চাই নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, যত্রতত্রে ময়লা আবর্জনা না ফেলে পরিবেশ সুন্দর রাখতে। তাহলে আমরা নিয়মিত পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা নগরীকে একটি ক্লিন শহরে রূপান্তরিত করতে পারবো।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু জলাবদ্ধতা মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন অভিযান সম্পার্কে বলতে গিয়ে শুক্রবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের এ অভিযান আগামী জুন মাস পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে শেষ না হলে সময় বর্ধিত করা হবে।
মেয়র সাক্কু আরো জানান, এই অভিযানে বর্তমানে প্রতিদিন ৭২ জন লেবার ৪টি ওয়ার্ড ও ২টি খালে কাজ করছে।প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ করছে ১২ জন লেবার। যেহেতু ওয়ার্ড বড় ছোট আছে সেহেতু কাজের সময়ও কোন ওয়ার্ডে বেশী দিন বা কোন ওয়ার্ডে কম দিন সময় লাগবে। শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহে ৬টিই এ অভিযান পরিচালিত হবে। একই সাথে চলবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদও। মেয়র বলেন, অভিযান শেষ হলে কুমিল্লা নগরীকে নতুন ভাবে দেখতে পারবে নগরবাসী । তিনি এ কাজে সবাইকে সহযোগিতার আহবান জানান।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মেয়র সাক্কু ছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল, চীফ ইঞ্জিনিয়ার মো. শফিকুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখ নুরউল্ল্যাহ, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূইয়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেনসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা।