সোমবার ৮ gvP© ২০২১


উদ্ধার হওয়া বাঘের আকার নিয়ে প্রশ্ন!


আমাদের কুমিল্লা .কম :
10.02.2021

মাহফুজ নান্টু। ।
উদ্ধার হওয়া বাঘটি কুমিল্লা চিড়িয়াখানার পালানো বলে কর্র্তৃপক্ষ দাবি করলেও এর আকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মঙ্গলবার নগরীর তাল পুকুর পাড় এলাকার একটি সংগঠন থেকে বাঘটি গ্রহণ করে চিড়িয়াখানার কর্মচারীরা।
সূত্রমতে, গত ২৩ জানুয়ারি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার প্রশাসনের নিকট মেছো বাঘটি হস্তান্তর করেন স্থানীয়রা। বাঘটি বালুবাহী ট্রলারে সবার অজান্তে সিলেট থেকে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আসে। ২৪ জানুয়ারি জেলা প্রশাসন কুমিল্লা চিড়িয়াখানায় সেটি হস্তান্তর করে। পুরাতন বাঘের খাঁচায় মেছো বাঘটি রাখা হয়। পরদিন ২৫ জানুয়ারি সকালে খাঁচায় বাঘটি দেখা যায়নি।
চিড়িয়াখানার প্রাণীদের পরিচর্যা কর্মী শাহ আলম বলেন, ডিসি স্যার যে দিন বাঘটি দিয়েছেন, আমরা খাঁচায় রেখেছি। মুরগির গোস্ত পিস করে রাতের খাবার দিয়েছি, পানি দিয়েছি। সকালে এসে দেখি বাঘ নেই। মঙ্গলবার ফোন পাই নগরীর তাল পুকুর পাড়ে স্থানীয়রা সেটিকে আটক করেছে। আমরা সন্ধ্যায় গিয়ে নিয়ে এসেছি।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগত মানবিকতার সাধারণ সম্পাদক তাহসিন বাহার সূচনা জানান,তাদের সংগঠনের এক সদস্য সেটিকে আটক করেছেন। সে জানতো না কোথায় সেটি হস্তান্তর করবে। পরে আমরা মেছো বাঘটি জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করি।
কুমিল্লার সদর উপজেলার কালির বাজার এলাকার টিএনটি ইটভাটার পরিচালক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ইটভাটার চুল্লির কাছে মেছো বাঘের শাবকটি হাটতে থাকে। কৌশলে বাঘ শাবকটিতে আটক করি। পরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগ্রত মানবিকতার নিকট বাঘ শাবকটি নিয়ে যাই।
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আসলে চিড়িয়াখানা থেকে পালিয়ে যাওয়া বাঘটি আরো বড় ছিলো। আর এখন উদ্ধার হওয়া মেছো বাঘটি আকারে ছোট। তিনি আরো বলেন, চিড়িয়াখানার খাচার দুরবস্থার কারণে আগের বাঘটি পালিয়ে যায়।