শুক্রবার ১৭ †m‡Þ¤^i ২০২১
  • প্রচ্ছদ » sub lead 1 » লালমাই পাহাড়ে কচুর ছড়া চাষে ঝুঁকছে শিক্ষিত বেকাররা


লালমাই পাহাড়ে কচুর ছড়া চাষে ঝুঁকছে শিক্ষিত বেকাররা


আমাদের কুমিল্লা .কম :
27.06.2021

শাহ ফয়সাল কারীম, সদর দক্ষিণ
লালমাই পাহাড়ের মাটির উর্বরতার কারণে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কচুর ছড়া চাষে লাভ ভালো পাওয়ায় কচু চাষে ঝুঁকছেন অধিকাংশ শিক্ষিত বেকাররা,যা তারা আত্মকর্মসংস্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন।চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও লালমাই পাহাড়ের মাটি কচুর ছড়া চাষের উপযোগী হওয়ার কারণে প্রায় ৪৭ হেক্টর জায়গায় ফলন ফলিয়েছেন শিক্ষিত বেকার যুুবক ও চাষিরা।ছড়া কচু তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায় বলে দেশের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর চাহিদা রয়েছে ব্যাপক।
লালমাই পাহাড়ের রাজারখোলা গ্রামের ইকবাল হোসেন জানান, পড়াশোনা শেষ করে অনেক চেষ্টা করেও চাকরি পাচ্ছি না। সেজন্য আত্মকর্মসংস্থান হিসেবে এ ছড়া কচুর চাষকে বেছে নিয়েছি। তাছাড়া অন্য সবজির মতো খুব বেশি একটা যত্ন নিতে হয় না। গোবর সারের পাশাপাশি ইউরিয়া, টিএসপি এগুলো দিয়েছি। এর ফলে গাছ যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে মোটাতাজা হয়েছে,দেখতে হৃষ্টপুষ্ট লাগছে। আমার দেখাদেখি এখন এলাকার বেকারও কচু চাষ করা শুরু করেছে।এ মৌসুমে কানি (স্থানীয় হিসেবে প্রতি কানি ৪০শতক) খেতে আমার উৎপাদন খরচ পড়বে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।প্রতি কানিতে কচুর ছড়া উৎপাদন হয় প্রায় ৭০-৮০ মণ।পূর্বের ন্যায় বাজার ভাল থাকলে প্রতি কানিতে ৩৫-৪০ হাজার টাকা লাভ হবে।
তিনি আরো বলেন ‘কচু চাষে কৃষি অফিসারের কাছ থেকে বুদ্ধি-পরামর্শ পাচ্ছি কিন্তু এ পর্যন্ত সরকারি কোনো প্রকার সুযোগ-সুবিধা পায়নি কেউ।

আবদুল্লাহ নামে আরেক চাষি জানান, পড়াশোনা শেষ করে দেখি চাকরিতে ঢোকা কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ওপর করোনার মহামারি। তাই চিন্তা করলাম নিজের জমি কাজে লাগাই। আশা করি সফলতার মুখ দেখব।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মজুমদার জানান, এ বছর লালমাই পাহাড়ের ৪৭ হেক্টর জায়গায় দুইধরনের ছড়া কচুর চাষ হয়েছে।সবসময় আমরা তাদের পরামর্শ দিয়ে থাকি। কিন্তু করোনাকালীন সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় আর্থিকভাবে কৃষকদের সহযোগিতা করতে পারছি না।